দিগন্ত দেব ,বাঁশখালী প্রতিনিধি : ঘূর্ণিঝড় ‘হামুন’ উপকূলে তাণ্ডব চালিয়ে উপকূলীয় এলাকা ও পাহাড়ি এলাকায় অতিক্রম করেছে।গত ২৫শে অক্টোবর রোজ মঙ্গলবার রাতে ঘূর্ণিঝড় হামুনের তাণ্ডবে বাঁশখালী উপকূলীয় এলাকা ও পাহাড়ি এলাকায় প্রায় তিন হাজারের অধিক কাঁচা ঘরবাড়ি ভেঙে যায় এবং ব্যাপক গাছ উপড়ে পড়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
বাঁশখালীর পুরা উপজেলায় বিদ্যুৎ এর খুটি লাইন বিচ্ছিন্ন হয়ে প্রায় বিদ্যুৎখাতে ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে জানান ডিজিএম রিজু কুমার ঘোষ।
বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ রয়েছে এছাড়াও মঙ্গলবার রাত থেকে প্রধান সড়কে গাছপালা ভেঙে আনোয়ারা-বাঁশখালী সড়কের যোগাযোগব্যবস্থা বন্ধ রয়েছে। বুধবার সকালে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, উপজেলার কালীপুর, সাধনপুর, পুইছড়ি, শেখেরখীল, ছনুয়া, চাম্বল, শিলকৃপ, গণ্ডামারা, সরল, বাহারছাড়া, খানখানাবাদ, পুকুরিয়ার কাঁচাঘরবাড়ি, গাছপালা ও সবজি ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার আবু সালেক জানান, ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে বাঁশখালীতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সঠিক ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করার পর আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে বাঁশখালীর উপকূলীয় এলাকায় কয়েক হাজার কাঁচাঘরবাড়ি ভেঙে গেছে। সড়কসহ বিভিন্ন জায়গায় গাছপালা ভেঙে যাওয়ায় বাঁশখালীর যোগাযোগব্যবস্থা বন্ধ রয়েছে। ইতোমধ্যে জনপ্রতিনিধি ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে ক্ষতির তালিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে ।